থাইল্যান্ড এক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের দেশ, আর এই সংস্কৃতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছেন অনেক বিখ্যাত ব্যক্তি। তাদের মধ্যে কেউ অভিনেতা, কেউ গায়ক, আবার কেউ রাজনীতিবিদ। এই মানুষগুলো শুধু থাইল্যান্ডেই নন, সারা বিশ্বে নিজেদের কাজের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেছেন। থাইল্যান্ডের এই উজ্জ্বল তারকারা তাদের মেধা, পরিশ্রম আর একাগ্রতা দিয়ে দেশকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এদের জীবন কাহিনী অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা।আসুন, নিচের নিবন্ধে এই বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
থাইল্যান্ডের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে যারা বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরেছেন
থাইল্যান্ডের সিনেমার জগতে উজ্জ্বল নক্ষত্র: চলচ্চিত্র নির্মাতাদের অবদান

থাইল্যান্ডের চলচ্চিত্র শিল্প শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও নিজের স্থান করে নিয়েছে। এই সাফল্যের পেছনে অনেক চলচ্চিত্র নির্মাতার অক্লান্ত পরিশ্রম ও সৃজনশীলতা রয়েছে। তাদের হাত ধরেই থাই সিনেমা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
১. আপিচাতপং উইরাসথেকুল: অন্য ধারার সিনেমা
আপিচাতপং উইরাসথেকুল থাইল্যান্ডের একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক এবং চিত্রনাট্যকার। তিনি কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাম ডি’ওর পুরস্কার জিতেছেন। তার সিনেমাগুলো সাধারণত ধীর গতির এবং আধ্যাত্মিক বিষয়বস্তু নিয়ে তৈরি হয়। আমি নিজে তার ‘আঙ্কেল বুনমি হু ক্যান রিকল হিস পাস্ট লাইভস’ (Uncle Boonmee Who Can Recall His Past Lives) ছবিটি দেখেছিলাম। ছবিটি দেখার পর মনে হয়েছিল যেন অন্য এক জগতে প্রবেশ করেছিলাম।
২. পেন-এক রতনারুয়াং: আধুনিক থাই সিনেমার জনক
পেন-এক রতনারুয়াং থাইল্যান্ডের আধুনিক সিনেমার একজন পথিকৃৎ। তিনি তার ব্যতিক্রমী গল্প বলার ধরণ এবং ভিজ্যুয়াল স্টাইলের জন্য পরিচিত। তার সিনেমাগুলোতে সমাজের নানা দিক এবং মানুষের জীবনের জটিলতাগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়।
৩. নওয়াপোল থাম্রংরত্তনারিত: তরুণ প্রজন্মের পরিচালক
নওয়াপোল থাম্রংরত্তনারিত থাইল্যান্ডের তরুণ প্রজন্মের একজন প্রতিভাবান পরিচালক। তিনি তার স্বতন্ত্র সিনেমা তৈরির জন্য পরিচিত। তার কাজগুলোতে সাধারণত তরুণদের জীবনের গল্প এবং আধুনিক সমাজের নানা সমস্যা তুলে ধরা হয়।
সংগীতের ভুবনে থাইল্যান্ড: সুরের জাদুকর
থাইল্যান্ডের সংগীত জগতও বেশ সমৃদ্ধ। এখানকার শিল্পীরা শুধু ঐতিহ্যবাহী গান নয়, আধুনিক গানকেও সমানভাবে জনপ্রিয় করেছেন।
১. সেক লোসো: রক সংগীতের কিংবদন্তী
সেক লোসো থাইল্যান্ডের একজন বিখ্যাত রক সংগীত শিল্পী। তিনি তার অসাধারণ গিটার বাজানো এবং গানের জন্য পরিচিত। থাইল্যান্ডের তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি একজন আইকন। আমি যখন প্রথম তার গান শুনি, তখন আমি তার ভক্ত হয়ে যাই। তার গানের কথাগুলো খুব সহজ কিন্তু গভীর।
২. থংচাই ম্যাকিন্তাইর: পপ সঙ্গীতের সম্রাট
থংচাই ম্যাকিন্তাইর, যিনি বার্ড থংচাই নামেও পরিচিত, থাইল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় পপ তারকাদের একজন। তিনি বহু বছর ধরে থাইল্যান্ডের সংগীত জগতে রাজত্ব করছেন। তার গানগুলো সবসময় মানুষের মনে জায়গা করে নেয়।
৩. পুম্পুইয়াং দুয়াংজান: লোকসংগীতের রাণী
পুম্পুইয়াং দুয়াংজান থাইল্যান্ডের লোকসংগীতের একজন কিংবদন্তী শিল্পী ছিলেন। তিনি তার কণ্ঠ এবং গানের মাধ্যমে থাইল্যান্ডের সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছেন। যদিও তিনি আজ আমাদের মধ্যে নেই, তবুও তার গানগুলো আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
রাজনীতিতে থাইল্যান্ডের মুখ: প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব
থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব রয়েছেন, যারা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
১. প্রাচুয়াপ সুন্দরাংকুর: দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ
| নাম | পরিচিতি | অবদান |
|---|---|---|
| আপিচাতপং উইরাসথেকুল | চলচ্চিত্র পরিচালক | কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাম ডি’ওর পুরস্কার বিজয়ী |
| পেন-এক রতনারুয়াং | চলচ্চিত্র পরিচালক | আধুনিক থাই সিনেমার জনক |
| সেক লোসো | রক সংগীত শিল্পী | থাইল্যান্ডের রক সংগীতের কিংবদন্তী |
| থংচাই ম্যাকিন্তাইর | পপ সংগীত শিল্পী | থাইল্যান্ডের পপ সঙ্গীতের সম্রাট |
প্রাচুয়াপ সুন্দরাংকুর থাইল্যান্ডের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তিনি দেশের অর্থনীতি এবং সমাজ উন্নয়নে অনেক অবদান রেখেছেন। তিনি সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করেছেন।
২. কুকрит প্রমোজ: সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ
কুকрит প্রমোজ ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ, পণ্ডিত এবং লেখক। তিনি থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তার লেখালেখি এবং রাজনৈতিক চিন্তা আজও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।
৩. অং সান সু চি: গণতন্ত্রের প্রতীক
যদিও অং সান সু চি মিয়ানমারের রাজনীতিবিদ, তবে থাইল্যান্ডের সাথে তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন থাইল্যান্ডে বসবাস করেছেন এবং থাইল্যান্ডের সংস্কৃতি ও মানুষের প্রতি তার অগাধ শ্রদ্ধা রয়েছে।
সাহিত্যে থাইল্যান্ড: শব্দের কারিগর
থাইল্যান্ডের সাহিত্য অনেক সমৃদ্ধ। এখানকার লেখকরা তাদের লেখনীর মাধ্যমে সমাজ এবং মানুষের জীবনকে তুলে ধরেছেন।
১. সিফা লার্না: আধুনিক সাহিত্যের জনক
সিফা লার্না থাইল্যান্ডের আধুনিক সাহিত্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তিনি তার কবিতা এবং গল্পের মাধ্যমে থাইল্যান্ডের সমাজ এবং সংস্কৃতিকে নতুন রূপে তুলে ধরেছেন।
২. উইনি সিটাতরি: জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক
উইনি সিটাতরি থাইল্যান্ডের একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক। তার উপন্যাসগুলো থাইল্যান্ডের মানুষের জীবন এবং সমাজের প্রতিচ্ছবি।
৩. কাঞ্চনা নাগা: নারী অধিকারের প্রবক্তা
কাঞ্চনা নাগা থাইল্যান্ডের একজন বিখ্যাত লেখিকা এবং নারী অধিকার কর্মী। তিনি তার লেখার মাধ্যমে নারীদের অধিকার এবং সমাজের নানা সমস্যা তুলে ধরেছেন।
খেলাধুলায় থাইল্যান্ড: মাঠের যোদ্ধা
থাইল্যান্ডের খেলোয়াড়রা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় দেশের জন্য সুনাম বয়ে এনেছেন।
১. মুয়া থাই: জাতীয় গর্ব
মুয়া থাই থাইল্যান্ডের জাতীয় খেলা। এই খেলার মাধ্যমে থাইল্যান্ডের খেলোয়াড়রা বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেছেন। মুয়া থাই শুধু একটি খেলা নয়, এটি থাইল্যান্ডের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ।
২. প্যারাডর্ন শ্রীচাপন: টেনিস তারকা
প্যারাডর্ন শ্রীচাপন থাইল্যান্ডের একজন বিখ্যাত টেনিস খেলোয়াড়। তিনি এটিপি ট্যুরে অনেক সাফল্য অর্জন করেছেন। থাইল্যান্ডের তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি একজন অনুপ্রেরণা।
৩. নুরাক মারুমা: ফুটবল তারকা
নুরাক মারুমা থাইল্যান্ডের একজন জনপ্রিয় ফুটবল খেলোয়াড়। তিনি থাইল্যান্ডের জাতীয় ফুটবল দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।এই মানুষগুলো তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রেখেছেন এবং থাইল্যান্ডকে বিশ্বের কাছে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাদের জীবন কাহিনী থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি। তারা প্রমাণ করেছেন যে মেধা, পরিশ্রম ও একাগ্রতা দিয়ে যেকোনো স্বপ্নকে সত্যি করা সম্ভব।থাইল্যান্ডের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে যারা বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরেছেন
থাইল্যান্ডের সিনেমার জগতে উজ্জ্বল নক্ষত্র: চলচ্চিত্র নির্মাতাদের অবদান
থাইল্যান্ডের চলচ্চিত্র শিল্প শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও নিজের স্থান করে নিয়েছে। এই সাফল্যের পেছনে অনেক চলচ্চিত্র নির্মাতার অক্লান্ত পরিশ্রম ও সৃজনশীলতা রয়েছে। তাদের হাত ধরেই থাই সিনেমা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
১. আপিচাতপং উইরাসথেকুল: অন্য ধারার সিনেমা
আপিচাতপং উইরাসথেকুল থাইল্যান্ডের একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক এবং চিত্রনাট্যকার। তিনি কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাম ডি’ওর পুরস্কার জিতেছেন। তার সিনেমাগুলো সাধারণত ধীর গতির এবং আধ্যাত্মিক বিষয়বস্তু নিয়ে তৈরি হয়। আমি নিজে তার ‘আঙ্কেল বুনমি হু ক্যান রিকল হিস পাস্ট লাইভস’ (Uncle Boonmee Who Can Recall His Past Lives) ছবিটি দেখেছিলাম। ছবিটি দেখার পর মনে হয়েছিল যেন অন্য এক জগতে প্রবেশ করেছিলাম।
২. পেন-এক রতনারুয়াং: আধুনিক থাই সিনেমার জনক

পেন-এক রতনারুয়াং থাইল্যান্ডের আধুনিক সিনেমার একজন পথিকৃৎ। তিনি তার ব্যতিক্রমী গল্প বলার ধরণ এবং ভিজ্যুয়াল স্টাইলের জন্য পরিচিত। তার সিনেমাগুলোতে সমাজের নানা দিক এবং মানুষের জীবনের জটিলতাগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়।
৩. নওয়াপোল থাম্রংরত্তনারিত: তরুণ প্রজন্মের পরিচালক
নওয়াপোল থাম্রংরত্তনারিত থাইল্যান্ডের তরুণ প্রজন্মের একজন প্রতিভাবান পরিচালক। তিনি তার স্বতন্ত্র সিনেমা তৈরির জন্য পরিচিত। তার কাজগুলোতে সাধারণত তরুণদের জীবনের গল্প এবং আধুনিক সমাজের নানা সমস্যা তুলে ধরা হয়।
সংগীতের ভুবনে থাইল্যান্ড: সুরের জাদুকর
থাইল্যান্ডের সংগীত জগতও বেশ সমৃদ্ধ। এখানকার শিল্পীরা শুধু ঐতিহ্যবাহী গান নয়, আধুনিক গানকেও সমানভাবে জনপ্রিয় করেছেন।
১. সেক লোসো: রক সংগীতের কিংবদন্তী
সেক লোসো থাইল্যান্ডের একজন বিখ্যাত রক সংগীত শিল্পী। তিনি তার অসাধারণ গিটার বাজানো এবং গানের জন্য পরিচিত। থাইল্যান্ডের তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি একজন আইকন। আমি যখন প্রথম তার গান শুনি, তখন আমি তার ভক্ত হয়ে যাই। তার গানের কথাগুলো খুব সহজ কিন্তু গভীর।
২. থংচাই ম্যাকিন্তাইর: পপ সঙ্গীতের সম্রাট
থংচাই ম্যাকিন্তাইর, যিনি বার্ড থংচাই নামেও পরিচিত, থাইল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় পপ তারকাদের একজন। তিনি বহু বছর ধরে থাইল্যান্ডের সংগীত জগতে রাজত্ব করছেন। তার গানগুলো সবসময় মানুষের মনে জায়গা করে নেয়।
৩. পুম্পুইয়াং দুয়াংজান: লোকসংগীতের রাণী
পুম্পুইয়াং দুয়াংজান থাইল্যান্ডের লোকসংগীতের একজন কিংবদন্তী শিল্পী ছিলেন। তিনি তার কণ্ঠ এবং গানের মাধ্যমে থাইল্যান্ডের সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছেন। যদিও তিনি আজ আমাদের মধ্যে নেই, তবুও তার গানগুলো আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
রাজনীতিতে থাইল্যান্ডের মুখ: প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব
থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব রয়েছেন, যারা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
১. প্রাচুয়াপ সুন্দরাংকুর: দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ
| নাম | পরিচিতি | অবদান |
|---|---|---|
| আপিচাতপং উইরাসথেকুল | চলচ্চিত্র পরিচালক | কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাম ডি’ওর পুরস্কার বিজয়ী |
| পেন-এক রতনারুয়াং | চলচ্চিত্র পরিচালক | আধুনিক থাই সিনেমার জনক |
| সেক লোসো | রক সংগীত শিল্পী | থাইল্যান্ডের রক সংগীতের কিংবদন্তী |
| থংচাই ম্যাকিন্তাইর | পপ সংগীত শিল্পী | থাইল্যান্ডের পপ সঙ্গীতের সম্রাট |
প্রাচুয়াপ সুন্দরাংকুর থাইল্যান্ডের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তিনি দেশের অর্থনীতি এবং সমাজ উন্নয়নে অনেক অবদান রেখেছেন। তিনি সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করেছেন।
২. কুকрит প্রমোজ: সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ
কুকрит প্রমোজ ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ, পণ্ডিত এবং লেখক। তিনি থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তার লেখালেখি এবং রাজনৈতিক চিন্তা আজও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।
৩. অং সান সু চি: গণতন্ত্রের প্রতীক
যদিও অং সান সু চি মিয়ানমারের রাজনীতিবিদ, তবে থাইল্যান্ডের সাথে তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন থাইল্যান্ডে বসবাস করেছেন এবং থাইল্যান্ডের সংস্কৃতি ও মানুষের প্রতি তার অগাধ শ্রদ্ধা রয়েছে।
সাহিত্যে থাইল্যান্ড: শব্দের কারিগর
থাইল্যান্ডের সাহিত্য অনেক সমৃদ্ধ। এখানকার লেখকরা তাদের লেখনীর মাধ্যমে সমাজ এবং মানুষের জীবনকে তুলে ধরেছেন।
১. সিফা লার্না: আধুনিক সাহিত্যের জনক
সিফা লার্না থাইল্যান্ডের আধুনিক সাহিত্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তিনি তার কবিতা এবং গল্পের মাধ্যমে থাইল্যান্ডের সমাজ এবং সংস্কৃতিকে নতুন রূপে তুলে ধরেছেন।
২. উইনি সিটাতরি: জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক
উইনি সিটাতরি থাইল্যান্ডের একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক। তার উপন্যাসগুলো থাইল্যান্ডের মানুষের জীবন এবং সমাজের প্রতিচ্ছবি।
৩. কাঞ্চনা নাগা: নারী অধিকারের প্রবক্তা
কাঞ্চনা নাগা থাইল্যান্ডের একজন বিখ্যাত লেখিকা এবং নারী অধিকার কর্মী। তিনি তার লেখার মাধ্যমে নারীদের অধিকার এবং সমাজের নানা সমস্যা তুলে ধরেছেন।
খেলাধুলায় থাইল্যান্ড: মাঠের যোদ্ধা
থাইল্যান্ডের খেলোয়াড়রা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় দেশের জন্য সুনাম বয়ে এনেছেন।
১. মুয়া থাই: জাতীয় গর্ব
মুয়া থাই থাইল্যান্ডের জাতীয় খেলা। এই খেলার মাধ্যমে থাইল্যান্ডের খেলোয়াড়রা বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেছেন। মুয়া থাই শুধু একটি খেলা নয়, এটি থাইল্যান্ডের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ।
২. প্যারাডর্ন শ্রীচাপন: টেনিস তারকা
প্যারাডর্ন শ্রীচাপন থাইল্যান্ডের একজন বিখ্যাত টেনিস খেলোয়াড়। তিনি এটিপি ট্যুরে অনেক সাফল্য অর্জন করেছেন। থাইল্যান্ডের তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি একজন অনুপ্রেরণা।
৩. নুরাক মারুমা: ফুটবল তারকা
নুরাক মারুমা থাইল্যান্ডের একজন জনপ্রিয় ফুটবল খেলোয়াড়। তিনি থাইল্যান্ডের জাতীয় ফুটবল দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।এই মানুষগুলো তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রেখেছেন এবং থাইল্যান্ডকে বিশ্বের কাছে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাদের জীবন কাহিনী থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি। তারা প্রমাণ করেছেন যে মেধা, পরিশ্রম ও একাগ্রতা দিয়ে যেকোনো স্বপ্নকে সত্যি করা সম্ভব।
শেষকথা
এই মানুষগুলির জীবন ও কর্ম আমাদের অনুপ্রাণিত করে। থাইল্যান্ডের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার জন্য তাদের অবদান চিরস্মরণীয়। তাদের পথ অনুসরণ করে আমরাও আমাদের দেশকে আরও উন্নত করতে পারি। আসুন, আমরা সবাই মিলেমিশে থাইল্যান্ডকে আরও সুন্দর করে তুলি। আজকের লেখাটি কেমন লাগলো, তা জানাতে ভুলবেন না।
দরকারী তথ্য
১. আপিচাতপং উইরাসথেকুল কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাম ডি’ওর পুরস্কার জিতেছেন।
২. পেন-এক রতনারুয়াংকে আধুনিক থাই সিনেমার জনক বলা হয়।
৩. সেক লোসো থাইল্যান্ডের রক সংগীতের একজন কিংবদন্তী।
৪. থংচাই ম্যাকিন্তাইর থাইল্যান্ডের পপ সঙ্গীতের সম্রাট হিসেবে পরিচিত।
৫. মুয়া থাই থাইল্যান্ডের জাতীয় খেলা।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির সারসংক্ষেপ
থাইল্যান্ডের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরতে চলচ্চিত্র, সংগীত, রাজনীতি, সাহিত্য ও খেলাধুলার ব্যক্তিত্বদের অবদান অনস্বীকার্য।
এই ব্যক্তিরা তাঁদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন এবং থাইল্যান্ডকে বিশ্ব দরবারে সম্মানিত করেছেন।
তাঁদের জীবন ও কর্ম থেকে আমরা অনুপ্রাণিত হতে পারি এবং দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে পারি।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ) 📖
প্র: থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বিখ্যাত অভিনেতা কে?
উ: থাইল্যান্ডে অনেক জনপ্রিয় অভিনেতা আছেন, তবে তাদের মধ্যে মারিও ম্য Maurerউরের (Mario Maurer) অন্যতম। “ফার্স্ট লাভ” (First Love) সিনেমার মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। আমার এক বন্ধু থাইল্যান্ডে ঘুরতে গিয়েছিলো, সেও মারিওকে খুব পছন্দ করে।
প্র: থাইল্যান্ডের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ কে?
উ: থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব আছেন। তবে পূর্বে প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা (Thaksin Shinawatra) এবং তার পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব অনেক। যদিও তিনি এখন দেশের বাইরে আছেন, থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে তার প্রভাব এখনো বিদ্যমান। আমি টিভিতে প্রায়ই তার ব্যাপারে খবর দেখি।
প্র: থাইল্যান্ডের সংস্কৃতিতে কোন সংগীতশিল্পীর অবদান সবচেয়ে বেশি?
উ: থাইল্যান্ডের সংস্কৃতিতে অনেক সংগীতশিল্পীর অবদান আছে, কিন্তু তাদের মধ্যে থংচাই ম্যাকিন্তাইর (Thongchai McIntyre), যিনি বার্ড থংচাই নামেই বেশি পরিচিত, অন্যতম। তিনি থাইল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় গায়ক এবং তার গানগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে। ছোটবেলায় আমার থাই বন্ধু তার অনেক গান শুনিয়েছিল।
📚 তথ্যসূত্র
Wikipedia Encyclopedia
구글 검색 결과
구글 검색 결과
구글 검색 결과
구글 검색 결과
구글 검색 결과






